Friday, September 17, 2021

কমলার চাষ করুন সহজেই - অঙ্গন আমার প্রকৃতি

কমলার চাষ

যথেষ্ট বৃষ্টিপাত হয় এমন আর্দ্র ও উঁচু পাহাড়ি অঞ্চলে কমলার চাষ ভালো হয়। উঁচু, উর্বর, গভীর সুনিষ্কাশিত এবং মৃদু অম্লভাবাপন্ন বেলে দোআঁশ মাটিতে ভালো হয়। প্রখর সূর্যকিরণ ও উচ্চ তাপমাত্রায় গাছের বৃদ্ধি ব্যাহত হয়। বছরে দেড়শ থেকে আড়াইশ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত, ২৫ থেকে ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস গড় তাপমাত্রা এবং আংশিক ছায়াযুক্ত স্থান এর জন্য উপযোগী। মাটির অম্ল-ক্ষারত্বের মান ৫.৫ থেকে ৬.০।

জাত
খাসিয়া ও বারি-১

বংশবিস্তার
বীজ থেকে জাইগোটিক চারা দুর্বল, মাতৃগাছের গুণাগুণ বজায় থাকে না, ফল ধরতে ৪-৫ বছর লাগে। বহু ভ্রণিতা (বীজ) নিউসেলার কোষ থেকে এক বা একাধিক চারা হয়। চারাগুলো সবল ও মাতৃগাছের গুণাগুণ বজায় থাকে। ভাইরাস মুক্ত হয়। ফল ধরতে ৪-৫ বছর লাগে।

অঙ্গজ
ভিনিয়ার/ক্লেফট গ্রাফটিং এবং টি-বাডিং চারা থেকে ২-৩ বছরের মধ্যেই ফল আসে।

চারা রোপণের সময়
বর্ষার শুরুতে অর্থাৎ মে-জুন মাসে চারা রোপণ করতে হয়। তবে সেচের সুবিধা থাকলে যে কোনো সময় চারা রোপণ করা যায়।

মাদা তৈরি ও রোপণ
সমতল জমিতে বর্গাকার, আয়তকার এবং পাহাড়ি জমিতে কন্টুর পদ্ধতিতে মাদা তৈরি করে চারা রোপণ করতে হবে। ৪ মিটার × ৪ মিটার দূরত্বে রোপণ করা যায়। মাদার গর্তের আকার ৬০×৬০×৬০ সেন্টিমিটার। প্রতি মাদায় ১০ কেজি গোবর, ২০০ গ্রাম করে ইউরিয়া, টিএসপি ও এমওপি এবং ৫০০ গ্রাম চুন দিতে হবে। চারা রোপণের ১৫ থেকে ২০ দিন আগে সার প্রয়োগ করতে হবে।

সেচ
খরা মৌসুমে বয়স্ক গাছে ২ থেকে ৩টি সেচ দিতে হবে। ফল পরিপক্ব হওয়ার সময় সেচ দিলে আকারে বড় ও রসযুক্ত হয়। গাছের গোড়ায় জল জমলে মাটিবাহিত রোগ হতে পারে।

 পরিচর্যা
আগাছা গাছের বেশ ক্ষতি করে। এছাড়া গাছের শিকড়গুলো মাটির উপরিস্তরে থাকে সেজন্য গভীরভাবে নিড়ানি না দেয়া ভালো। গাছ লাগানোর পর ফল ধরার আগ পর্যন্ত ধীরে ধীরে ডাল ছেঁটে গাছকে নির্দিষ্ট আকারে রাখতে হবে। ডাল ছাঁটাইয়ের পর কাটা অংশে বর্দোপেস্ট দিতে হবে। দুটি পাত্রে ৭০ গ্রাম তুঁতে ও ১৪০ গ্রাম চুন আলাদাভাবে মিশ্রণ করে এক লিটার জলের সঙ্গে মিশিয়ে বুর্দোপেস্ট তৈরি করতে হবে।

ফল সংগ্রহ ও ফলন
কমলা পরিপক্ব হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রঙ বদলাতে শুরু করে। ভালোভাবে পাকার পর ফল সংগ্রহ করলে মিষ্টি হয়। পূর্ণ বয়স্ক কমলাগাছ প্রতি বছর গড়ে ৩০০ থেকে ৪০০ টি ফল দেয়। বেশি বয়স্ক গাছ এক হাজার থেকে দেড় হাজার ফল দিতে পারে। একটি গাছ সাধারণত ৫০ থেকে ৭০ বছর পর্যন্ত ফল দিয়ে থাকে।

Friday, September 10, 2021

গ্লাডিওলাস চাষের খুঁটিনাটি - অঙ্গন আমার প্রকৃতি


ডালিয়া একটি সর্বজন প্রিয় ফুল।
এর বৈজ্ঞানিক নাম Dahlia Variailis
ডালিয়া কম্পোজিটি পরিবারভুক্ত।
সুইডেনের উদ্ভিদতত্ত্ববিদ আন্দ্রিয়াস গুস্তাভ ডাল নিজের নামের অনুকরণে ফুলের নাম রাখেন ডালিয়া।

শ্রেণিবিভাগ ও জাত:
ডালিয়ার ১১টি শ্রেণীর আওতায় এর প্রচুর জাত রয়েছে।

ডালিয়ার উন্নত জাতের মধ্যে রয়েছে সিঙ্গল, 
, কলারেট, ফরমাল ডেকোরেটিভ, ইন ফরমাল ডেকোরেটিভ, ডবল শো ফ্যান্সি, পম্পন, ক্যাকটাস, ভ্যারাইটি গার্ল প্রভৃতি।

ভিডিওটি দেখতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন 👇

মাটি ও জলবায়ু:
সুনিষ্কাশিত উর্বর দোআঁশ মাটি বা বেলে দোআঁশ প্রকৃতির মাটি ডালিয়া চাষের জন্য উত্তম। ছায়াযুক্ত স্থানে গাছ দুর্বল ও লম্বা হয়, ফুল কম ও ছোট হয় এবং রঙের ঔজ্জ্বল্য হ্রাস পায়। ফলে পর্যাপ্ত সূর্যালোক পায় এমন জমিতে ডালিয়ার চাষ করতে হবে। ডালিয়া চাষে আবহাওয়া অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। যে দিন বৃষ্টি হবে সে দিন থেকে যত দিন পর্যন্ত মাটি স্যাঁতসেঁতে থাকবে তত দিন জল দেয়ার দরকার নেই। আবার গরমের সময়ে মাটি যখন শুকনো হয়ে ওঠে তখন জলর পরিমাণ বাড়িয়ে মাটি আর্দ্র করে তুলতে হবে। বৃষ্টির সময়ে গাছের ওপর ছাউনি দিতে পারলে ভালো কিংবা কোনো ছাউনির নিচে রাখলে গাছ নিরাপদে থাকবে। টবের গাছের ক্ষেত্রে প্রতিদিন নিয়ম করে জল দিয়ে মাটিকে আর্দ্র রাখা উচিত।

বংশ বিস্তার:
ডালিয়া বীজ, মূলজ কন্দ, ডাল কলম এর সাহায্যে বংশ বিস্তার করা হয়। ডালিয়াগাছের গোড়ায় জন্মানো মূলজ কন্দ পরবর্তী বছর চারা তৈরির কাজে ব্যবহৃত হয়। ফাল্গুন-চৈত্র মাসে ফুল শেষে গাছ নিস্তেজ হয়ে পাতা ও ডাঁটা শুকিয়ে আসলে কন্দ পরিপক্ব ও সংগ্রহের উপযোগী হয়। মাটির নিচ থেকে কন্দ তুলে দু-এক দিন বাতাসে শুকিয়ে আলুর মতো কন্দকে শুষ্ক বালুতে সংরণ করতে হয়। অতঃপর ভাদ্র-আশ্বিন মাসে কন্দগুলোকে অর্ধেক মাটি ও অর্ধেক বালু মিশ্রিত বীজতলা বা টবে রোপণ করে সামান্য জল সিঞ্চন করলে কয়েক দিনের মধ্যে কন্দের চোখ থেকে নতুন চারা বের হয়। চারা দুই থেকে পাঁচ সেন্টিমিটার লম্বা হলে মূলজ কন্দটিকে চারাসহ কেটে টুকরো করে নির্ধারিত জমিতে বা টবে রোপণ করা যায়। অপর দিকে আশ্বিন থেকে অগ্রহায়ণ মাসে ডালিয়ার ডাল কলম করা যায়। এ সময়ে মূলজ কন্দে জন্মানো কচি চারা বা ডাল থেকে গিটসহ কেটে বা ভেঙে নিতে হয়। তা ছাড়া পুষ্ট কন্দ বা কাণ্ডের পাশে জন্মানো ১৫-২০ সেন্টিমিটার লম্বা পুষ্ট ডাল ও গিট গুলোকে সংগ্রহ করা হয়।

ভিডিওটি দেখতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন 👇

সার প্রয়োগ:
পশ্চিমবঙ্গের পরিবেশে আশ্বিন থেকে অগ্রহায়ণ পর্যন্ত সময়ে জমিতে কিংবা টবে ডালিয়ার চারা রোপণ করা যায়। ডালিয়ার মাটি গভীরভাবে নরম ও ঝুরঝুরে  করে তৈরি করতে হয়। প্রতি ১০০ বর্গ মিটার জমিতে ২০০ কেজি গোবর, তিন কেজি কাঠের ছাই ও দুই কেজি আরেকটি ফসফেট সার টিএসপি মাটির সাথে ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে হয়। ভারী মাটিতে গোবরের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়া উত্তম। টবে ডালিয়া চাষের জন্য ২ ভাগ দোআঁশ মাটি, ২ ভাগ বালি, ২ ভাগ কাঠের ছাই, ১ ভাগ পাতা পচা সার, ১ ভাগ গোবর, ১ ভাগ খৈল ও ১ ভাগ টি এস পি সার মিশিয়ে মাটি তৈরি করতে হবে।

প্রধান শুধু নাইট্রোজেনযুক্ত সার হলো এমোনিয়াম নাইট্রেট (NH4NO3)। ... প্রধান ফসফেট সার হলো সুপারফসফেট। এসএসপি ১৪-১৮% P2O5 বহন করে। আরেকটি ফসফেট সার হলো টিএসপি যা প্রায় ৪৪-৪৮% P2O5 বহন করে।

চারা রোপণ ও পরিচর্যা:
ডালিয়া চাষের জমিতে জাত ভেদে ৬০ থেকে ৯০ সেন্টিমিটার দূরত্বে সারিবদ্ধভাবে আর প্রতি টবে একটি চারা রোপণ করতে হয়। টবের আকার ২৫ সেন্টিমিটার হলে ভালো হয়। চারা লাগানোর পর থেকে গাছে এমনভাবে সেচ দিতে হয় যাতে কখনো জলর ঘাটতি না পড়ে ও জলাবদ্ধতা দেখা না দেয়। ডালিয়া গাছে সাধারণ রেড স্পাইডার ও রেড মাইভ ধরনের পোকা হয়। এই পোকা থেকে রেহাই পাওয়ার উপায় হলো প্রতি সপ্তাহে নিয়ম করে ক্যালিথিন বা নোবাকন নামে ওষুধের ২০ ফোঁটা এক লিটার জলে ভালো করে গুলিয়ে সেই মিশ্রণটি ঝারির সাহায্যে গাছগুলোকে ভিজিয়ে দিতে হবে, তাহলেই এ ধরনের পোকার আক্রমণ থেকে গাছকে রক্ষা করা সম্ভব হবে।

Wednesday, April 21, 2021

পাকচং ১ ও নেপিয়ার হাইব্রিড ঘাসের কাটিং/মুথা ঘাসের চাষ - অঙ্গন আমার প্রকৃতি


২১ এপ্রিল, বুধবার: পাকচং ১ ও নেপিয়ার হাইব্রিড ঘাসের কাটিং/মুথা ঘাস হলো গবাদিপশুর প্রধান খাদ্য ঘাস। পুষ্টিকর ঘাসে দেহ গঠনকারী আমিষ উপাদানসহ প্রায় সর্বপ্রকার উপাদন মজুদ থাকে। উন্নতজাতের অধিক ফলনশীল ঘাসের মধ্যে নেপিয়ার উল্লেখযোগ্য। খাদ্যমান বেশি থাকায় গবাদিপশুর জন্য এ ঘাস বেশ উপাদেয় ও পুষ্টিকর। আসুন জেনে নিই উন্নতজাতের অধিক ফলনশীল পাকচং ১ ও নেপিয়ার হাইব্রিড  ঘাসের চাষ পদ্ধতি। 
এ ঘাস চাষের জন্য জমিতে ৪-৫টি চাষ দিতে হয় এবং মই দিয়ে আগাছামুক্ত করার পর রোপণ করতে হয়।
মাটিতে রস না থাকলে চারা লাগানোর পর পানি সেচের ব্যবস্থা করতে হবে। সাধারণত প্রতি বিঘা জমি রোপণের জন্য ৬ হাজার মুথা চারা/কাটিং  প্রয়োজন।

মুথা চারা/ কাটিং লাগানোর প্রথম অবস্থায় ৫০-৬০ দিনে ঘাস কাটতে পারবেন। পরবর্তীতে ২৫-৩০ দিনে ঘাস কাটার উপযোগী হয় ।
নেপিয়ার ঘাসের ক্রুড প্রোটিনের পরিমাণ  15.93 % ।
জমি প্রস্তুতের সময় : ১.৫০-২.০০ টন গোবর প্রতি একরে মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে হবে। এ ছাড়া রাসায়নিক সারের মধ্যে ইউরিয়া, টিএসপি ও এমওপি সার ব্যবহার করা হয়।

Saturday, March 20, 2021

ছত্রাকনাশক নিজের হাতেই বানিয়ে ফেলুন - অঙ্গন আমার প্রকৃতি

অঙ্গন আমার প্রকৃতি:
চাষিভাইদের উদ্দেশ্যে জানানো যাচ্ছে যে নিজের  বাড়িতেই বানিয়ে ফেলুন রাসায়নিক ছত্রাকনাশক। বোর্দো মিশ্রন।
ইহা জমিতে বিভিন্ন প্রকার ছত্রাকজনিত রোগ যেমন - ধসা (Blight)
ঝলসা (Blast) 
নাবি ধ্বসা (Late blight)
ডাউনি মিলডিউ এবং
মরীচা (Rust) ইত্যাদি নিরাময়ে সাহায্য করে। ইহা একটি উত্তম  Contact Fungicide  রুপে কাজ করে, মানে বাইরে থেকে রোগের বিরুদ্ধেও প্রোটেকশান দেয়।  রোগের লক্ষ্মন প্রকাশের প্রাথমিক অবস্থায় এসব ওষুধ ব্যবহার করলে দোকান থেকে বেশি দাম দিয়ে  ছত্রাকনাশক আর বেশি কিনতে লাগে না আবার একদম নাও কিনতে লাগতে পারে।
  তাই অনন্ত একবার পরীক্ষামূলক ভাবে জমির কিছু অংশে প্রয়োগ করে দেখুন,  লাভবান হতে পারেন। 

আজকের আলোচনা মূলত বোর্দো মিশ্রন/Bordeaux Mixture  নিয়ে। 

বোর্দো মিশ্রন তৈরী: - তুঁতে/কপার সালফেট,  চুন/ক্যালসিয়াম কার্বোনেট বা লাইমও বলে একে আর দরকার জল। 

1. প্রথমে আলাদা দুটো পাত্রে চুন আর তুঁতে
মিহি করে গুড়া করে নিতে হবে।

2.  2 টি ছোট মাটির বা প্লাসটিকের পাত্রে আলাদা আলাদা 5 লিটার 5 লিটার  করে মোট ১০ লিটার জল নিতে হবে। (মাটির পাত্র নিলে রাসায়নিক বিক্রিয়ার সম্ভাবনা কম থাকে)। 

3. একটি মাটির পাত্রে 100 গ্রাম মিহি করা তুঁতে ও অন্য পাত্রে 100 গ্রাম মিহি করা চুন ঢেলে দিতে হবে। 

4. বাঁশের কাঠি দিয়ে দুই পাত্রের তুঁতে ও চুন ভালভাবে ঘেটে নিতে হবে। এরপর ৮-১০ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখ হবে।

5. এরপর  তুঁতের জলীয় দ্রবনটিকে   চুনের জলীয় দ্রবনের  পাত্রে ধীরে ধীরে  ঢেলে ভালভাবে ঘেটে নিতে হবে। উল্টোটা যাতে না হয়। এটাই হল #বোর্দো মিক্সার। 

তাহলে চুন থাকছে মোট 100 গ্রাম,  তুৃঁতে থাকছে 100 গ্রাম আর জল থাকছে মোট 10 লিটার।  তাহলে চুন,  তুঁতে ও জলের অনুপাত - 1:1:100
এটা হল 1% সলিউশান।  এটাই সঠিক মাত্রা।  
তার মানে এটাও বলা যায় যে,   চুন যদি 1 কেজি(1000 গ্রাম), তুঁতে যদি 1 কেজি নেওয়া হয় তাহলে জল নিতে হবে 100  লিটার।   সুতরাং এখানে চুন, তুঁতে ও পানির অনুপাত হবে
 1:1:100 (কারন- 1 গ্রাম কোনোকিছু  1 লিটার জলের সমতূল্য )। মিশ্রনটি প্রশম থেকে সামান্য ক্ষারীয় হবে,  কিন্তু কখনই যেন আম্লিক না হয়,  হলে বুঝতে হবে অনুপাতে ভুল হয়েছে। 

#মিক্সারটি সঠিক মাত্রায় হয়েছে কিনা তা বাইরে কিভাবে বুঝব:-

 সেই মিশ্রনে স্টিলের চাকুর অগ্রভাগ ডুবিয়ে দেখে নিন লালচে দাগ পড়ে কিনা। যদি চাকুতে লাল দাগ না পড়ে তবে বুঝতে হবে মিশ্রণ মাত্রা সঠিক হয়েছে আর যদি লালচে দাগ পড়ে তো বুঝবেন মিশ্রনটি আম্লিক হয়ে গেছে। তখন আবার প্রয়োজন মত জল বা চুন বা তুঁতে মিশিয়ে অনুপাতটি ঠিক করতে হবে যাতে ওভারঅল অনুপাত 1:1:100 ই থাকে।  

সাবধানতা: -  
1. এই অনুপাতটি একদম কাটায় কাটায়  সঠিক  হওয়া মাস্ট,  তা নাহলে গাছের উপর বিরুপ প্রতিক্রিয়া পড়তে পারে। তাই ওজন মেপে মেপে সব কিছু দিতে হবে। 

2. ধাতুর কোনো পাত্র নেবেন না।  কারন তাতে রাসায়নিক বিক্রিয়া হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। 

3. মিশ্রনটিকে কাঠি দিয়ে ভালো করে নাড়িয়ে নাড়িয়ে তৈরী করতে হবে। 

4. চুনের দ্রবনটিকে কখনও তুঁতের দ্রবনে ঢালবেন না।  সর্বদাই,, তুঁতের দ্রবনটাকেই  চুনের দ্রবনের মধ্যে ঢালবেন। 

5. গরম জল ব্যবহার করা যাবে না। 

6. ইহাকে তৈরী করার পরে ওই দিনই 2-3 ঘনটার মধ্যে  স্প্র করে দিতে হবে গাছে।  সংরক্ষন করে রাখা যায় না।

7. এর সাথে অন্য কোনো রাসায়নিক অ্যাড করা যাবে না

8.  ধান, গম ইত্যাদি ঘাস জাতীয় ফসলে কম ব্যবহার করাটাই  শ্রেয়,  ইহা মূলত ফলগাছ,  সবজী, বিভিন্ন Plantation crops যেমন - সুপারি,  কফি,  বিভিন্ন বাদাম প্রভৃতি শক্ত ফসলের জন্য।  জন্য।  তবুও পরীক্ষামূলক ভাবে গমে দিয়ে দেখতে পারেন যদি ছত্রাক জনিত রোগ (যেমন- মরীচা )লাগে তো।

9. টমেটো তে , আপেলে, পীচ ফলে,   ভুট্টার কিছু জাতে আর ধানের কিছু ছোটো জাতে  দেবেন না , পাতায়  বিষক্রিয়া হতে পারে । 

ব্যবহার ও গুরুত্ব -  এটাকে তৈরী করে ডাইরেক্ট গাছে স্প্রে করুন। 

আলুর নাবি ধসা,  আলুর জলদি ধসা,  আঙুরের ডাউনি মিলডিও , লাউ, কুমড়ো, ঝিঙ্গা, পটল এসবের ডাউনি মিলডিউ , আপেলের স্ক্যাব,  বাদামের টিক্কার রোগ,  লেবুর ক্যাঙ্কার, লেবুর স্ক্যাব, বিভিন্ন মরীচা রোগ,  আমের অ্যানথ্রাকনোজ, ধানের ভূষো রোগ বা লক্ষ্মীর গু (false smut of rice ) , গমের মরীচা,  গমের  Smut,  Bunt রোগ,  বিভিন্ন ফসলের পাতায় বাদামি দাগ,  গোল গোল #রিংয়ের  মতো দাগ(Alterneria infection) ,  অাদার বিভিন্ন রোগ ইত্যাদির বিরুদ্ধে ভালো কাজ করে।  
 (ফসলের বিভিন্ন রোগের লক্ষ্মণ ও ছবি দেখে রোগকে  চিহ্নিত করতে Google  এ রোগের নাম লিখে সার্চ করুন। )

বোর্দো মিশ্রণ ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগের বিরুদ্ধেও ভালো কাজ করে। 

[বোর্দো মিশ্রন বিশেষভাবে Oomycota  জাতীয় ছত্রাকের বিরুদ্ধে ফলপ্রদ। ]

সজনে ডাঁটার উপকারিতা - অঙ্গন আমার প্রকৃতি

অঙ্গন আমার প্রকৃতি: সজনে ডাঁটা অনেকেরই বেশ পছন্দের একটি সবজি। সজনে ডাঁটা কেবল খেতেই যে সুস্বাদু তা নয় বরং এটি স্বাস্থ্য সুরক্ষার কাজেও বেশ প্রয়োজনীয়। বসন্তের শেষের দিকে সজনে ডাঁটা বাজারে ওঠে। সজনের তরকারি এবং সজনের ডাল অনেকের কাছেই বেশ প্রিয় একটি খাদ্য.

সজনের উপকারিতা এবং পুষ্টিগুণ
১. ঠাণ্ডা জর, কাশি উপশম করে,
২. উচ্চ রক্ত চাপ নিয়ন্ত্রণ করে,
৩. পেটের হজম সমস্যা সমাধান,
৪. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে,
৫. হাড় শক্ত ও মজবুত করে
কারন সজনে ডাটায় প্রচুর পরিমাণে আয়রণ, ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন থাকে। 
৬. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় শরীরকে শক্তিশালী করে তোলে,
৭. মুখে রুচি বাড়ে,
৮. শ্বাসকষ্ট কমায়

অন্যান্য উপকারিতা:
এছাড়াও সজনে ডাটা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে, লিভার ও কিডনি সুরক্ষিত রাখে। শরীরের বাড়তি ওজন কমাতে সাহায্য করে। তাই সজনের এই ভরা মৌসুমে আপনার খাদ্য তালিকায় সজনের তরকারি বা সজনের ডাল রাখতেই পারেন।

Monday, March 8, 2021

লিচু গাছে মুকুল ও ফল ঝরে যাচ্ছে? কি করবেন জেনে নিন

অঙ্গন আমার প্রকৃতি: লিচু গাছে মুকুল আসার আগ থেকে ফল আসা পর্যন্ত প্রায় ৩ মাস সঠিক পরিচর্যা করা অত্যন্ত জরুরি।

গাছের যথাযথ বৃদ্ধি ও ভালো ফলনের জন্য সঠিক নিয়মে ও পরিমাণমতো সার প্রয়োগ করা জরুরি। নিম্নে সারের পরিমাণ উল্লেখ করা হলো-

এক থেকে তিন বছর বয়সী গাছের জন্য গাছপ্রতি জৈবসার ১০ কেজি, ইউরিয়া ১৫০ গ্রাম, টিএসপি ৬০০ গ্রাম, এমওপি ২০০ গ্রাম।

চার-ছয় বছর বয়সী গাছের জন্য গাছপ্রতি জৈবসার ১০-১৫ কেজি, ইউরিয়া ৩০০ গ্রাম, টিএসপি ৬০০ গ্রাম, এমওপি ২৫০-৩০০ গ্রাম।

৭-১০ বছর বয়সী গাছের জন্য গাছপ্রতি জৈবসার ১৫-২০ কেজি, ইউরিয়া ৬০০ গ্রাম, টিএসপি ৭০০ গ্রাম, এমওপি ৫০০ গ্রাম।

১০ বছরের বেশি বয়সী গাছের জন্য গাছপ্রতি জৈবসার ২০-২৫ কেজি, ইউরিয়া ১০০০ গ্রাম, টিএসপি ৭৫০ গ্রাম, এমওপি ৬০০ গ্রাম।

গাছে যদি জিঙ্কের অভাব দেখা দেয় অর্থাৎ পাতা যদি তামাটে রঙ ধারণ করে তবে প্রতি বছর ৫০০ লিটার পানির সাথে ২ কেজি চুন ও ৪ কেজি জিঙ্ক সালফেট গুলে বসন্তকালে গাছে ছিটাতে হবে। ফল ঝরা কমাতে এটা সাহায্য করবে। ফল ফেটে যাওয়া কমাতে প্রতি ১০ লিটার পানিতে ১০ গ্রাম বোরিক পাউডার গুলে ফলে স্প্রে করা যেতে পারে।

উল্লিখিত সার বছরে ৩ কিস্তিতে ৩ ভাগ করে লিচু গাছে প্রয়োগ করতে হবে। ১ম কিস্তি বর্ষার শুরুতে ( ফল আহরণের পর ), ২য় কিস্তি বর্ষার শেষে ( আশ্বিন- কার্তিক মাসে ) এবং শেষ কিস্তি গাছে ফুল আসার পর প্রয়োগ করতে হবে। দুপুর বেলা গাছের ছায়া যতটুকু স্থানে পড়ে সেটুকু স্থানে মাটি কুপিয়ে আলগা করে সার প্রয়োগ করতে হবে।

#নিয়মিত সেচ প্রদান করতে হবে। মাটির ধরণ অনুসারে খরার সময় ১০-১৫ দিন পর পর সেচ দিতে হবে।

#গাছে মুকুল আসার আগে ১ বার, গাছে যখন ফল মটরদানার সমান হবে তখন ১ বার এবং মার্বেল আকার ধারণ করলে ১ বার প্লানোফিক্স ( ১ মিলি/৪.৫ লিটার পানি)/মিরাকুলান (১ মিলি/ লিটার পানি)/ফ্লোরা ( ২ মিলি/লিটার পানিতে ) মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।

#লিচু গাছে মুকুল আসার পর কিন্তু ফুল ফোটার আগে 
ল্যামডা সাইহ্যালোথ্রিন জাতীয় কোনো কীটনাশক ( ফাইটার/ ফাইটার প্লাস/ রীভা ২.৫ ইসি) ১ মিলি/লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে। এছাড়া কার্বেন্ডাজিম জাতীয় একটি ছত্রাকনাশক (করজিম/আটোস্টিন/নোইন/বেনডাজিম ২ গ্রাম/লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে। একই সময় ফ্লোরা ২ মিলি/লিটার পানিতে মিশিয়ে গাছে ভালোভাবে স্প্রে করতে হবে। লিচু গুটি বা মটরদানার সমান হলে একইভাবে উল্লিখিত কীটনাশক, ছত্রাকনাশক এবং পিজিআর ( PGR ) আরেক বার গাছে ভালোভাবে স্প্রে করতে হবে।

#ফল বৃদ্ধির সময় জিংক সালফেট ২ গ্রাম/ লিটার পানিতে মিশিয়ে ৩ সপ্তাহ পর পর গাছে স্প্রে করলে গাছে ফল ফাটা ও ফল ঝরা সমস্যা দূর হওয়াসহ এবং ফলের আকৃতিও বড় হয়।

Saturday, February 27, 2021

জেনে নিন অর্জুন গাছের যত ঔষধি গুন্ - অঙ্গন আমার প্রকৃতি

ভেষজ শাস্ত্রে ঔষধি গাছ হিসেবে অর্জুনের ব্যবহার অগণিত। বলা হয়ে থাকে, বাড়িতে একটি অর্জুন গাছ থাকা আর একজন চিকিত্‍সক থাকা একই কথা। এর ঔষধি গুণ মানব সমাজের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে সুপ্রাচীন কাল থেকেই। শারীরিক বল ফিরিয়ে আনা এবং রণাঙ্গনে মনকে উজ্জীবত করার ভেষজ রস হিসেবে অর্জুন ব্যবহারের উল্লেখ রয়েছে মহাভারত ও বেদ-সংহিতায়। তারপর যতদিন যাচ্ছে অর্জুনের উপকারী দিক ততই উদ্ভাসিত হচ্ছে। অর্জুন এমনি এক ধরনের ভেষজ উদ্ভিদ যা মানব কল্যাণে ব্যবহৃত হচ্ছে বহু যুগ ধরে।

এটি কমব্রিটেসি গোত্রের অন্তর্ভুক্ত। এ গাছটির বৈজ্ঞানিক নাম Terminalia arjuna , সংস্কৃত নাম ককুভ। বৃহদাকৃতির বহুবর্ষজীবী এই উদ্ভিদটি প্রায় ১৮-২৫ মিটার উচ্চতা বিশিষ্ট হয়ে থাকে। গাছটির মাথা ছড়ানো ডালগুলো নীচের দিকে ঝুলানো থাকে। পাতা দেখতে অনেকটা মানুষের জিহবাকৃতির। ছাল খুব মোটা এবং ধূসর বর্ণের। গাছ থেকে সহজেই ছাল উঠানো যায়। ফল দেখতে কামরাঙ্গার মত, পাঁচ খাঁজ বিশিষ্ট কিন্তু আকৃতিতে অনেক ছোট। শীতের শেষেই সাধারণত গাছ নিষ্পত্র হয়ে যায় এবং বসন্তে নতুন পাতায় গাছ ভরে যায়। নতুন পাতা গজানোর সময়েই গাছের শাখাগুলো পুষ্পমঞ্জরিতে ভরে ওঠে।

অর্জুনের কিছু উপকারী দিক বর্ণনা করা হলো:

হৃদরোগ: অর্জুনের প্রধান ব্যবহার হৃদরোগে। অর্জুন ছালের রস কো-এনজাইম কিউ-১০ সমৃদ্ধ। এই কো-এনজাইম কিউ-১০ হৃদরোগ এবং হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধ করে। বাকলের রস ব্লাড প্রেসার এবং কোলেস্টেরল লেভেল কমায়। অর্জুনের ছাল বেটে রস খেলে হৃদপিন্ডের পেশি শক্তিশালী হয় এবং হৃদযন্ত্রের ক্ষমতা বাড়ে। বাকলের ঘন রস দুধের সাথে মিশিয়ে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে খেতে হবে। বাকলে রস না থাকলে শুকনো বাকলেরগুঁড়া ১-২ গ্রাম দুধের সাথে মিশিয়ে সকালে খালি পেটে খেতে হবে।

অ্যাজমা: অর্জুন ছালের পাউডার ১২ গ্রাম দুধের ক্ষীর বা পায়েসের সাথে মিশিয়ে খেলে অ্যাজমা আক্রান্ত ব্যক্তির অ্যাজমা রোগের স্থায়ী সমাধান হবে।

ক্ষয়কাশে: অর্জুন ছালের গুঁড়া, বাসক পাতার রসে ভিজিয়ে শুকিয়ে রাখতেন প্রাচীন বৈদ্যেরা। দমকা কাশি হতে থাকলে একটু ঘি ও মধু বা মিছরির গুঁড়া মিশিয়ে খেতে দিতেন। এতে কাশির উপকার হতো।

হাড় মচকে গেলে বা চিড় খেলে: অর্জুন ছাল ও রসুন বেটে অল্প গরম করে মচকানো জায়গায় লাগিয়ে বেঁধে রাখলে সেরে যায়। তবে সেই সাথে অর্জুন ছালের চূর্ণ ২-৩ গ্রাম মাত্রায় আধা চামচ ঘি ও সিকি কাপ দুধ মিশিয়ে অথবা শুধু দুধ মিশিয়ে খেলে আরও ভালো হয়।

বুক ধড়ফড়: যাদের বুক ধড়ফড় করে অথচ উচ্চ রক্তচাপ নেই, তাদের পক্ষে অর্জুন ছাল কাঁচা হলে ১০-১২ গ্রাম, শুকনা হলে ৫-৬ গ্রাম একটু ছেঁচে ২৫০ মিলি দুধ ও ৫০০ মিলি জলের সাথে মিশিয়ে জ্বাল দিয়ে আনুমানিক ১২৫ মিলি থাকতে ছেঁকে বিকাল বেলা খেলে বুক ধড়ফড়ানি অবশ্যই কমবে। তবে পেটে যেন বায়ু না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। লো-ব্লাড প্রেসারে উপযুক্ত নিয়মে তৈরি করে খেলেও অবশ্য প্রেসার বাড়বে।

রক্তপিত্তে: মাঝে মাঝে কারণে বা অকারণে রক্ত ওঠে বা পড়ে। সেক্ষেত্রে ৪-৫ গ্রাম ছাল রাত্রিতে জলে ভিজিয়ে রেখে সকালে ছেঁকে নিয়ে জলটা খেলে উপকার পাওয়া যায়।

ফোঁড়া: ফোঁড়া হলে পাতা দিয়ে ঢেকে রাখলে ফোঁড়া ফেটে যায়, তারপর পাতার রস দিলে তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যায়।

ক্ষত বা ঘা: শরীরে ক্ষত বা ঘা হলে, খোস-পাঁচড়া দেখা দিলে অর্জুনের ছালের ক্বাথ দিয়ে ধুয়ে ছালের মিহি গুঁড়া জল দিয়ে মিশিয়ে লাগালে দ্রুত ঘা সেরে যায়।

কানের ব্যথায়: কানের ব্যথায় অর্জুন ব্যবহার করা হয়। কচি পাতার রস কানের ভিতরে দুই ফোঁটা করে দিলে কানের ব্যথা ভালো হয়।

যৌন রোগ: যাদের মধ্যে যৌন অনীহা দেখা দেয় তাদের ক্ষেত্রে অর্জুনের ছাল চূর্ণ উপকারী। এই ছাল চূর্ণ দুধের সাথে মিশিয়ে প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে নিয়মিত খেলে এই রোগ দূর হয়। এছাড়া যাদের শুক্রমেহ আছে তারা অর্জুন ছালের গুঁড়া ৪-৫ গ্রাম ৪-৫ ঘণ্টা আধা পোয়া গরম পানিতে ভিজিয়ে রেখে, তারপর ছেঁকে ওই পানির সাথে ১ চামচ শ্বেতচন্দন মিশিয়ে খেলে উপকার হয়।

রক্ত আমাশয়ে: ৪-৫ গ্রাম অর্জুন ছালের ক্বাথে ছাগলের দুধ মিশিয়ে খেলে রক্ত আমাশয় ভালো হয়।

হজম ক্ষমতা বাড়ায়: ডায়রিয়া বা পেটের অন্য কোনো সমস্যা দেখা দিলে অর্জুনের ছাল ৪৫-৩০ গ্রাম করে খেলে হজম ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় ও অসুবিধা দূর হয়।

মুখ, জিহ্বা ও মাড়ির প্রদাহে : অর্জুনের ছাল এসব রোগের চিকিত্‍সায় ব্যবহৃত হয়। এটি মাড়ির রক্তপাতও বন্ধ করে। এছাড়াও অর্জুন ছাল সংকোচক ও জ্বর নিবারক হিসেবেও কাজ করে।

এছাড়াও এর রয়েছে অনেক ঔষধিগুণ। ইদানিং অর্জুন গাছের ছাল থেকে 'অর্জুন চা' তৈরি হচ্ছে যা হৃদরোগের জন্য অত্যন্ত কার্যকরী। DOS থেরাপি অনুযায়ী অর্জুন ফল দেখতে মানব দেহের হৃদপিন্ডের মতো তাই অর্জুনকে হৃদরোগের মহৌষধ বলা হয়।

নানা ধরনের ক্রোটন চাষ, কীভাবে পরিচর্যা করবেন - অঙ্গন আমার প্রকৃতি

নানা ধরনের ক্রোটন (Croton) – পরিচিতি, লাগানোর পদ্ধতি ও ব্যবহার ক্রোটন (Codiaeum variegatum) একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় শোভাবর্ধক পাতা...