Wednesday, November 18, 2020

চাষবাসে ছত্রাকের গুরুত্ব - অঙ্গন আমার প্রকৃতি

অঙ্গন আমার প্রকৃতি, ১৮ নভেম্বর, কোচবিহার: ছত্রাক সমন্ধে অনেকের অনেক ধারণা আছে নিশ্চই, এই পৃথিবীতে বিভিন্ন ধরনের ছত্রাক বর্তমান, এমন কিছু অপকারী ছত্রাক আছে, যা গাছপালা এমনকি মনুষ্য সমাজেও হানিকারক হয়ে থাকে, আবার কিছু ছত্রাক আছে যা খুবই উপকারী। আজ আমরা এমনই একটি উপকারী ছত্রাকের সমন্ধে জানবো, সেটি হলো ট্রাইকোডার্মা। ট্রাইকোডার্মা হলো জৈব ছত্রাক,  ট্রাইকোডার্মা হলো নিজেই একটি ছত্রাক
তবে ক্ষতিকারক ছত্রাক না এটা একটি উপকারী ছত্রাক,
গাছ কে সমস্ত রকম ক্ষতিকারক ছত্রাক কে ধবংস করে। এই ট্রাইকোডামা ৫ থেকে ৬ প্রজাতির আছে।
ট্রাইকোডামা হলো একটি উপকারী ছত্রাক, এটি ব্যবহার করলে গাছের স্বাস্থ্য সুরক্ষা করে। মাটির উর্বরতা ও পুষ্টিমান বৃদ্ধি করে।
বিশ্ব জুড়ে ব্যবহার করা হয় এই ট্রাইকোডামা।
ব্যবহার:
১/ গাছের শিকড় পচা রোগ কে রোধ করে।
২/ কান্ড পচা,পাতায় দাগ রোধ করে।
৩/ গাছ ঢলে পড়া গাছে ধসারোগ রোগ প্রতিরোধ করে।
৪/ যে কোনো ধরনের চারা বসাবার আগে প্রতি লিটার জলে ১ গ্ৰাম ট্রাইকোডামা ব্যবহার করা যায়।
সতর্কতা:
এটা ব্যবহারে ৭দিন আগে ও ৭দিন পরে কোনো রাসায়নিক সার কীটনাশক ব্যবহার করা যাবে না।

Friday, November 13, 2020

আমরুল শাক সাস্থের পক্ষে খুবই উপকারী- অঙ্গন আমার প্রকৃতি

যে সময়ে যার যা প্রয়োজন, প্রকৃতি অকৃপণভাবেই আমাদের জন্য তা যুগিয়ে দেয়। তেমন‌ই প্রকৃতির অযত্নসম্ভূত একটি দান আমরুল শাক। অম্বষ্ঠা, আম্বেটি, চুক্রিকা, চাঙ্গেরি, চেঙ্গি, টেঙ্গা, পালিয়া কেরী, পুলিচিন্তা, তান্দিটাটং আরক – অঞ্চল ও ভাষাভেদে সব‌কটি আমরুলের‌ই নাম। বৈজ্ঞানিক নাম Oxalis corniculata Lin.
      ভিজে স্যাঁতসেতে মাটিতে সরু কান্ডবিশিষ্ট বিছিয়ে থাকা গাছ। লম্বা সরু ডাঁটির ওপর তিনটি গুচ্ছ পাতা থাকে। ডাঁটির গোড়ায় হলুদ রঙের ফুল ধরে। ফল বা ক্যাপসুল ক্ষুদ্র ঠ্যাড়সাকৃতির, ভিতরে সারিবদ্ধভাবে অসংখ্য বীজ থাকে।  পেকে গেলে হাওয়ার দোলায় বা নাড়াচাড়া খেলে ক্যাপসুল সশব্দে ফেটে গিয়ে বীজ চরদিকে ছড়িয়ে যায়।
    আমরুল, শাকের মতো রান্না করে খাওয়া ছাড়াও ঔষধরূপে বিভিন্ন অসুখে খুবই উপযোগী। জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত  পাওয়া যায়। শীতে সমগ্ৰ গাছ ছায়ায় রেখে শুকনো করে সংরক্ষণ করা উচিৎ।
ব্যবহারবিধিঃ —
     ১. আ্যন্টিঅক্সিড্যান্টসমৃদ্ধ আমরুলশাক প্রচুর খনিজলবনসহ ভিটামিন সি এর‌ও খনি। গোলমরিচ গুঁড়োসহ রান্না করে দুপুরের ভাতে নিয়মিত খেলে স্কার্ভিরোগ ও মুখের ঘা এবং ঘনঘন সর্দিলাগা ভাল হয়ে যায়। দু-এক দিন ছাড়া ছাড়া বিরাম দিয়ে যে জ্বর আসে তার পক্ষেও এটি ভাল।
     . অর্শরোগে আধচামচ তিল তেল ও সমপরিমাণ গাওয়া ঘিয়ের এর মিশ্রণে একমুঠো (২৫-৩০ গ্ৰাম) আমরুল শাক, কড়ায় চাপা দিয়ে ভেজে দুপুরে প্রথম-ভাতে মেখে খেতে হবে ১২ - ১৫ দিন, নিয়মিতভাবে।
     ৩. ফোঁড়ায় গরম জল দিয়ে পাতা মিহি করে বেটে লাগালে দ্রুত ব্যথা যন্ত্রনা কমে যাবে এবং ফোঁড়াও ফেটে যাবে। বিছে বোলতার দংশনে বা আঘাত লেগে ব্যথা বেদনা হলেও এই প্রলেপ লাগালে আরাম পাওয়া যাবে।
     ৪. গলা ধরা, গলক্ষত, ফ্যারেঞ্জাইটিস, টনসিলাইটিস, দাঁতের মাড়িফোলা ও ব্যথায় এবং মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে সামান্য নুনসহ পাতা ফোটানো জল ভালো করে ছেঁকে ঈষদুষ্ণ অবস্থায় নিয়মিতভাবে দু-বেলা আহারের পর কুল্লি ও গড়গড়া করলে কয়েক দিনের মধ্যেই দারুন উপকার পাওয়া যায়।
     ৫. আমাশায় মাখন তোলা দুধ বা ঘোলের সঙ্গে পাতার রস ২-৩ চামচ মিশিয়ে সকাল-বিকাল দিন সাতেক খেলেই উপকার হবে।
      অবাঞ্ছিত তিল ও আঁচিল নষ্ট করবার জন্য আমরুল পাতার রস সরাসরি দীর্ঘদিন লাগিয়ে দেখুন, উপকার পাবেন।
     ৬. অত্যন্ত কষ্টদায়ক মাথাধরায় আমরুলপাতার রসের সঙ্গে ৫-৬  ফোঁটা রসুনের রস মিশিয়ে কপালে মাখুন। কিছুটা জল খেয়ে খোলা হাওয়ায় পায়চারি করুন, কয়েক মিনিটের মধ্যে মাথাধরা কমে যাবে।

Monday, November 9, 2020

গাছের বৃদ্ধির উপযুক্ত ঔষধ (হরমোন) - অঙ্গন আমার প্রকৃতি

PGR
PGR হলো প্লান্ট গ্রোথ রেগুলেটর (Plant Growth Regulator) উদ্ভিদ তার শরীলে বিভিন্ন রকম হরমোন তৈরী করে,সেই হরমোনের কারণে ফুল ফল ও গাছের বৃদ্ধি বিকাশ কে সঠিক জায়গায় রাখতে হলে আমরা বাইরে থেকে PGR ব্যবহার করে থাকি।
PGR ব্যবহারের ফলে  গাছের বৃদ্ধি বিকাশের সাহায্য করে।
গাছে ফুল ও ফল বৃদ্ধি করে।
ফলের রং ফুলের রং সঠিক ভাবে বজায় রাখে।
নানা রকম PGR পাওয়া যায় এবং এক একটির মধ্যে এক একটি হরমোন বা  উপাদান থাকে যেমন ধরুন ফ্লোরা এটি একটি PGR আর এর মধ্যে থাকে নাইট্রোবেনজিন।
আবার পি.জি .আর বলে আর একটি PGR পাওয়া যায় যার মধ্যে থাকে হিউমিক অ্যাসিড।
এই রকম নানা PGR এর মধ্যে নানা রকম হরমোন থাকে যা গাছের বৃদ্ধি ফুল ও ফলের বৃদ্ধি তে সাহায্য করে।
PGR ব্যবহারের ফলে গাছে ফুল ঝরা ফল ঝরা রোধ  করে।
যারা নতুন বাগান করছেন তাদের জন্য Seaweed PGR ভালো, কারণ এই PGR পরিমানে কম অথবা বেশি হলে গাছে ক্ষতি হবার ভয় নেই, অন্য PGR সব গুলি সঠিক পরিমানে না দিলে গাছের ক্ষতি হবার ভয় থাকে।
মিরাকুলান প্রতি লিটার জলে ১মিলি পরিমানে ব্যবহার করতে হয়, লেবু গাছে ফুল এলে এটা ব্যবহার করলে ভালো হয় বেশ।
Planofix এক লিটার জলে 4 ফোটা দিয়ে ব্যবহার করতে হয়।

Saturday, November 7, 2020

জারবেরা ফুলের পরিচর্যা - অঙ্গন আমার প্রকৃতি

🌿🌷জারবেরা 🌷🌿
ফুলের নাম জারবেরা  
বৈজ্ঞানিক নাম Gerbera hybrida 
 জারবেরা মুলত বিদেশী ফুল হলেও আমাদের দেশে অনেক দেখা যায় ,বিভিন্ন রঙের 30 ধরনের জারবেরা ফুল পাওয়া যায় ।।
🌷জারবেরা জন্য দোঁআশ বা বেলে দোঁআশ মাটি তে ভালো হয় ।। 
🌷একটি গাছ থেকে বছরে ৪০/৫০ টি ফুল পাওয়া যায় আর ফুলটি ১০দিন সতেজ থাকে।।
🌷ভালো ফুলের জন্য ,,,,,
১ টব কে হালকা রোদে রাখতে হবে ।।
২ জারবেরা ফুল টবে জল জমতে দেওয়া যাবে না ।।
৩ ফুল ফুটে মরে যেতে দেখলে ফুলটি কেটে দিতে হবে গাছে যাতে শুকিয়ে না যায় তার খেয়াল রাখতে হবে ।।
৪ গাছের পাতা মরে গেলে কেটে দিতে হবে ।।
৫ গাছে ১৫ অন্তর সরিষা খোল জল পাতলা করে দিতে হবে ।।
৬ টবের মাটি মাঝে মাঝে খুচিয়ে দিতে হবে ।।
🌷 সার হিসাবে গোবর সার দিলেই হবে ।।
🌷মাসে দুইবার ছত্রাক নাশক দিতে হবে ।।
🌷 গাছে পোকা মাকড় আক্রমন হলে,,,মাইট বা মাকড় আক্রমন হলে HAMLA ব্যবহার করতে হবে ।।
🌷জারবেরা গাছে মাঝে মাঝে সাদা মাছির আক্রমন হয় এক্ষেত্রে ULALA ব্যবহার করতে হবে প্রতি লিটার জলে ১মিলি হিসাবে ব্যবহার করতে হয় ।।
জারবেরা গাছের পাতা কুঁকড়ে গেলে MERRICK ব্যবহার করতে হবে

Friday, November 6, 2020

ঘরে তৈরি এন পি কে খুবই উপকারী - অঙ্গন আমার প্রকৃতি

উপকরণ:
চা পাতা,,কলার খোসা,,,সরিষা খোল
ঘরের তৈরি করতে পারেন npk আমরা চা তো খাই ব্যবহারিত চা পাতা ফেলে না দিয়ে গাছের কাজে ব্যবহার করুন,,
ব্যবহারিত চা পাতা ভালোকরে ধুয়ে নিতে হবে যাতে চিনি মিশে না থাকে হালকা ঘরের ছায়াতে শুকিয়ে নিতে হবে এবার যে পাকা কলার খোসা আমরা ফেলে দিই সেগুলি ফেলে না দিয়ে ছোট করে কেটে ঘরের ছায়াতে শুকিয়ে নিতে হবে এবার সরিষা খোল নিতে হবে 
চা পাতা থেকে   পাই n... কলার খোসা থেকে  পাবো p....সরিষা খোল থেকে k...
তিনটি উপাদান সম পরিমান মিশিয়ে  নিলে তৈরি npk..এইটি শক্তিশালি জৈব npk সার

Wednesday, November 4, 2020

অর্কিড প্রজাতির ফুল চাষের ঘরোয়া টোটকা - অঙ্গন আমার প্রকৃতি

আজকে এমন একটি ফুল গাছ নিয়ে লিখতে যাচ্ছি যাকে অনেকেই ঘরে আনতে চান না এই ভেবে যে ওকে পালন করা আমার কম্মো নয় l কিন্তু যাঁরা ফুল ভালোবাসেন কিন্তু সেই জায়গা নেই ফুল গাছ করার কিন্তু ঘেরা ব্যালকনি আছে, যেখানে কোনো গাছকে ঝুলিয়ে রাখা যায় সহজে আবার সকালে তিন/চার ঘন্টা ভালো রোদ ও পায় সেখানকার জন্যে এক আদর্শ অর্কিড এর কথা বলতে যাচ্ছি l

 সেখানে এমন একটি অর্কিড আছে যা খুব সহজে করতে পারেন l অর্কিড এর নাম শুনে ঘাবড়াবেন না, এটি অর্কিড এর এমন এক প্রজাতি যাকে মেরে ফেলা খুব কঠিন যদি খুব নির্দয় না হন l ঠাট্টা করছি না দায়িত্ব নিয়ে বলছি l

একটি কথা বলে নিই এখানে, অর্কিড এর জগতে আমি একেবারেই নবীন, জানিনা খুব বেশী কিছু তবে যা জানি তার সবটাই বলবো l ভুল ত্রুটি থাকতেই পারে, অভিজ্ঞরা যদি শুধরে দেন খুশী হবো l

Dendrobium: অর্কিড এর যতগুলো প্রজাতি আছে তার মধ্যে এটিকে পালন করা খুব সহজ, আধমরা একটি ডাল থেকেও একটি গাছ বানানো যায় এক মাসের মধ্যে l

এর ছোটো চারা 100 টাকার মধ্যে পেয়ে যাবেন l এর বড় গাছ বেশী টাকা দিয়ে না কেনাই ভালো, ভেন্ডা, ক্যাটিলিয়া এগুলোর ক্ষেত্রে ব্যাপারটি উল্টো, ছোটো চারা আনলে পালন করতে গিয়ে ধৈর্য হারিয়ে ফেলবেন l 

আমার মতে ছোটো চারাকে প্লাস্টিকের তিন ইঞ্চি ফাঁকা ফাঁকা গেলাস টবে নারকোলের ছোবড়া দিয়ে লাগান গাছের বৃদ্ধি বজায় থাকবে এবং ছয় মাসের মধ্যে ফুল দেবে l 

বসাবেন কেমন করে টবের উচ্চতা থেকে সামান্য বেশী রেখে নারকোলের ছোবড়া গুলোকে এক ইঞ্চি চওড়া করে টুকরো করুন, জলে ভিজিয়ে রাখুন দিন দুয়েক তারপর বাইরের দিকের শক্ত চামড়া তুলে ফেলুন l তারপর হাইড্রোজেন peroxide 6% এ চুবিয়ে রাখুন এক ঘন্টা l
এরপর তুলে ওই ছোটো ছোটো টুকরোগুলোর চওড়া দিকটি উপরে রেখে চারার চার দিকে গোল করে বসান হাতের তালুতে রেখে, গোড়াটি একটু উঠে থাকবে, বসানো হলে ওটিকে টবে বসিয়ে দেখুন ঢিলে হচ্ছে কিনা যদি ঢিলে হয় আরো টুকরো বসান যতক্ষণ না ওটা টবে বসাতে জোরে চাপ দিতে হচ্ছে l প্রথম ফটোটি ভালো করে খেয়াল করবেন l

তারপর সরু সুতলি বা GI তার দিয়ে ওটাকে গ্রিল এর সঙ্গে ঝুলিয়ে দিন l ব্যাস হয়ে গেলো এবার শুধু পরিচর্যা, ওটা ভেন্ডার মতোই l

এই গাছকে সরাসরি রোদে রাখা যাবে তবে আধাবেলা আবার শেড নেট এর নিচে সারাদিন রাখা যায় যাতে সূর্যের আলো পাবে কিন্তু তাপ পাবে কম আর জায়গাটায় সবসময় মৃদুমন্দ হাওয়া বইলে আরো ভালো কারণ তাপ আরো কম পাবে l খুব বাতাস পায় এবং সকালের রোদ কিছুক্ষন পায় এমন বারান্দার গ্রিল এও ঝুলিয়ে দেওয়া যায় l

গাছে বৃষ্টির জল পড়ে এমন জায়গায় রাখা যাবে আবার POLYSHED এর নিচেও রাখা যাবে, তবে কেমন ভাবে রাখা আছে তার উপর বর্ষায় গাছে জল দেওয়া নির্ভর করবে, বাকি সময় প্রায় একই রকম I

এই গাছ যে পরিবেশ এ রাখা হয় তার সঙ্গে খুব সহজে মানিয়ে নেয় l খাবার সপ্তাহে একদিন 19:19:19 বা 20:20:20, 1 গ্রাম থেকে দু গ্রাম 1 লিটার জলে গুলে খুব সকালে গাছে স্প্রে করতে হবে, খাবার দেবার পাঁচ মিনিট আগে জল স্প্রে করে নিতে হবে l

মাসে একবার মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট স্প্রে আর ফুল আসার সময় 13:40:13/ 13:0:45 মাসে বার দুয়েক স্প্রে করা দরকার l

মাস ছয়েক এর মধ্যেই ওই টবের বাইরের দিকেও শেকড় ছড়িয়ে যাবে তখন ঝামা, ইট, কাঠ কয়লা দিয়ে মাটির ফাঁকা টবে potting করতে হবে বা একটি কাঠ যাতে মোটা গাছের ছাল লেগে আছে তাতে নারকোলের ছোবড়ার গুঁড়ো গুলো ছাড়িয়ে নিয়ে তা পাতলা করে দিয়ে বেঁধে দিতে হবে l এই গাছের শেকড়ে যত হওয়া বাতাস পাবে ততো ভালো থাকবে গাছ l

মাসে এক দিন humic acid বা merino স্প্রে করতে পারলে ভালো এবং একদিন kaka আর একদিন confider 15 দিনের ব্যবধানে স্প্রে করতে হবে l 

গাছকে কোনো একটা স্থায়ী জায়গায় ঝুলিয়ে রাখলে গাছ ভালো থাকবে, রোদ হাওয়া ভালো পেলে ফুলও ভালো দেবে l

মাসে একবার (বর্ষায় দুবার ) anti fungus স্প্রে করবেন, amister top/byabhistin l গাছকে ঝোলানো অবস্থায় জল দেবেন l

আমার গাছ বর্তমানে এমন জায়গায় আছে যেখানে বেলা এগারোটা অবধি রোদ পায় আবার বৃষ্টির জলের ছাট ও খুব ভালোই পায় l

আমি গত মার্চ মাসের 20 তারিখে কিছু ছোটো চারা বসিয়েছিলাম, সেগুলোতে স্টিক বেরোচ্ছে l

Tuesday, November 3, 2020

গাছের দরকারি কিছু ঔষধের ব্যবহারিক গুরুত্ব - অঙ্গন আমার প্রকৃতি

🌷অনুখাদ্য গাছে ফুল ফল রোদ করে গাছের পুষ্টি জন্য যে ১৩ টি উপাদান প্রয়োজন তা পুরোন করে ।।
🌷Saaf ছত্রাক নাশক হিসাবে ব্যবহার অরা হয় এছাড়া বীজ শোষধ করার জন্য ব্যবহার করা হয় ।।
🌷Actara এই মিলিবাগ দমনের জন্য বিষেশ কাজ করে ।।
🌷plantomicinc  গাছের পাতার নীচে এক প্রকার ব্যাকটেরিয়ার আক্রমন পাতা নীচে কালো ঝুলের মতো দেখা যায় এটা দমনের জন্য ব্যবহার হয় ।।
🌷ইউমিক অ্যাসিড এটি প্রাকৃতিক জৈব পণ্য এটি ফুল ফল বৃদ্ধি করে ।।
🌷 seaweed ferlilizer এটি কে অনেক সমুদ্র শৈবাল বলে এটা বহু গুন সুষম খাদ্য গাছের এটার মধ্যে সব রকম অনুখাদ্য আছে এটা জৈব উপাদান ।।
🌷 ফ্লোরা এটি একটি তরল জাতীয় বহুগুন সম্পন্ন পন্য ফুল ফল বৃদ্ধি করে ।।
🌷 Tafgor এটা কীটনাশক গাছ কে কীটপতঙ্গ দমন করে ।।
🌷ULALA এটা সাদা মাছি দমনে ব্যবহার করা হয় ।।
🌷KAKA এটা কীটনাশক এটা নানা রকম পোকা মাকড় দমন করে ।।গোলাপ চন্দ্রমল্লিকা জন্য খুব ভালো ।।
🌷HAMLA এটা ও কীটনাশক এটা চোষক পোকা মিলিবাগ মাইড ইত্যাদি পোকা মাকড় দমন করে ।।
🌷npk  এর মধ্যে নাইট্রোজেন ফসফরাস ও পটাশ থাকে এটা গাছে ফুল ফল আসতে সাহায্য করে ।।
🌷Agromin gold এটা অনুখাদ্য গাছে ১৩ টা পুষ্টি সাহায্য করে ।।
🌷Merrick এটা গাছের পাতা কুঁকড়ে গেলে ব্যবহার করা হয় ও জাব পোকা আক্রমন হলে ব্যবহার করতে হয়  ।।
🌷validamycin এটা একটা ছত্রাক নাশক ও ব্যাকটেরিয়া নাশক ।।

পেয়ারার ফলের সমস্যা: ফলমাছি (Fruit Fly) ও ফল পচা রোগের আক্রমণ

পেয়ারার ফলের সমস্যা: ফলমাছি (Fruit Fly) ও ফল পচা রোগের আক্রমণ ছবিতে দেখা যাচ্ছে পেয়ারার ফলের ভেতরের অংশ কালো হয়ে পচে গেছে এবং...