বিজামৃত যা জৈব পদ্ধতিতে বীজ শোধনের সবচেয়ে উত্তম উপকরন
আজ আপনাদের বিভিন্ন জৈব সার এবং কীটবিতারক প্রস্তুতি কিভাবে করতে হয় সে তথ্য দেবার চেষ্টা করেছি,
আজকে আমরা জনবো কি করে জৈব উপায়ে বীজ শোধন করতে হয়, বীজ শোধন করাটা খুব জরুরী বিষয় কারণ বীজ যদি জীবাণু মুক্ত না হয় তাহলে সেখান থেকে রোগ জমিতে গিয়ে বড় আকার ধরণ করে এবং অসানুরূপ ফলন হয় না চাষের ক্ষতি হয় এবং তা নিয়ন্ত্রণের জন্যে বিভিন্ন ভাবে টাকা খরচ হয়, আসুন তাহলে জেনে নেই এর পদ্ধতি।
প্রয়োজনীয় উপকরণ
১০০ কেজি বীজ শোধনের হিসেবে যা যা লাগবে তা আপনাদের আমরা জানাচ্ছি, কিন্তু আপনাদের প্রয়োজন অনুযায়ী আপনারা অনুপাত ঠিক করে নেবেন,
১. জল ২০ লিটার
২. দেশী গোমুত্র ৫ লিটার
৩. দেশী গোবর ৫ কেজি
৪. চুন ৫০ গ্রাম
৫. বট পাকুর গাছের গোড়ার মাটি ৫০ গ্রাম
মিশ্রণ তৈরি
উপরোক্ত সব কিছুকে এক সঙ্গে মিশিয়ে নিন, নিয়ে ড্রামে ঢেলে ভাল করে গুলে নিয়ে একটি ছায়া জায়গায় ২৪ ঘণ্টা রেখে দিন এবং এই ২৪ ঘণ্টায় দুবার ১ মিনিট করে মিশ্রণটিকে একটি লাঠি দিয়ে নাড়িয়ে দিতে হবে, ২৪ ঘণ্টা পর মিশ্রণটি ব্যাবহার করার যোগ্য হয়ে যাবে।
ব্যাবহার
বীজ লাগানোর ২৪ ঘণ্টা আগে বিজামৃত দিয়ে দিয়ে ভিজিয়ে রেখে শোধন করতে হবে
উপকারিতা
শোধনের ফলে বীজে থাকা রোগ জীবাণু নষ্ট হবে যেমন তেমনি বীজএর অঙ্কুরোদগমও ভাল হবে। সেই সঙ্গে চারা লাগানোর পূর্বে চারার গোড়া ৫ মিনিট ভিজিয়ে শোধন করে লাগলেও উপকার পাওয়া যায়।
