Saturday, May 6, 2023

ফুল চাষে ক্ষীরাই, না দেখলে বিশ্বাসই করবেন না - অঙ্গন আমার প্রকৃতি



🏵🌿ক্ষীরাই বাংলার ফুলের উপত্যকা🌿🏵

🌼পথনির্দেশ : হাওড়া থেকে খড়গপুর বা মেদিনীপুর গামী ট্রেন ধরে পাঁশকুড়ার পরের স্টেশন ক্ষীরাই। সময় লাগে ১ ঘন্টা ৫০ মিনিট মতন।ক্ষীরাই স্টেশনে নেমে তিন নম্বর লাইন ধরে বরাবর পাশকুরার দিকে প্রায় ২০মিনিট মতন হেঁটে সরু মাটির রাস্তা বরাবর কিছুদূর যাওয়ার পর পড়বে কসাই নদীর দুদিকেই ফুলের চাষ।
🌸ক্ষীরাই আসলে একটি নদীর নাম আর সেই নদীর নামেই গ্রামের নামকরণ l এখানে সবটাই যেন এক আঁকা ছবির মতন রঙীন ও সুন্দর l নাহঃ এখানে নাই কোনো পাহাড়ি উপত্যকা,নাই কোনো তুষারধবলিত অঞ্চল বা নিবিড় বনানি। তবে আছে এই বাংলার নির্ভেজাল স্বাদ, আছে বাংলার নদী-ঘর-মাঠ-মানুষ নিয়ে ভরা প্রকৃত 'বাংলার মুখ' । তবে সবকিছুর মাঝেও যা সবাইকে বারবার ক্ষীরাইয়ের দিকে ছুটে নিয়ে যায় , তা হলো হাজারো ফুলের প্রাণ খোলা হাসির সমাহার l
বাংলার ফুলের উপত্যকা - ক্ষীরাই l
দুগ্গাপুজোর আগে পরেই কাঁসাই ও ক্ষীরাই নদীর ডান ও বামদিকের মাইলের পর মাইল ক্ষেত জুড়ে বসানো হয় চারাগাছ , যা ডিসেম্বরের মাঝামাঝি থেকে ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধ অবধি নানা রঙের গালিচায় ভরে ওঠে নানা ফুলের গল্প নিয়ে l কি নাই সেখানে? গাঁদা,গোলাও, আষ্টার, চন্দ্রমল্লিকা, মোরগঝুঁটি এবং আরো কত নাম না জানা ফুল l মাঠের পরে মাঠ ফুলের গালিচায় ঢাকা l
ফুলের ক্ষেতে ব্যস্ত চাষিরা পরিচর্যায় l ফুল তো অবশ্যই প্রধান আকর্ষণ , তাছাড়া আছে নানা পাখি প্রজাপতি ফড়িং আর পোকামাকড়। সবটা মিলিয়ে বলা যেতে পারে এই সময় প্রকৃতি তার রূপ-রস -গন্ধে ভরিয়ে রাখে এই ক্ষীরাই উপত্যকা l
🍀তবে আমরা মানুষেরা হয়ত ভালো কিছু টিকিয়ে রাখতে পারিনা!
তাই এই যায়গাটির প্রতি ভ্রমনপিপাসু মানুষ জনের কিছু অবহেলা চোখে পড়ার মতন। গাছ থেকে ফুল ছেড়া, গাছের ডাল-পালা ধরে ছবি তোলা, সর্বোপরিভাবে সুন্দর এলাকাগুলোতে মাইক-প্যাকেট-খাওয়ার দ্রব্যের অনধিকৃত ব্যবহারে বনভোজন ইত্যাদি ফুলের গালিচায় মানুষের নির্মমতার প্রতীকী। তাই এগুলো দূরে রাখলে জায়গাটা বর্তমানে এবং ভবিষ্যতেও তার বৈশিষ্ট্য বজায় রাখতে সক্ষম হবে।

পেয়ারার ফলের সমস্যা: ফলমাছি (Fruit Fly) ও ফল পচা রোগের আক্রমণ

পেয়ারার ফলের সমস্যা: ফলমাছি (Fruit Fly) ও ফল পচা রোগের আক্রমণ ছবিতে দেখা যাচ্ছে পেয়ারার ফলের ভেতরের অংশ কালো হয়ে পচে গেছে এবং...