Friday, October 7, 2022

কৃষি সার বিক্রয় লাইসেন্স রেজিস্ট্রেশনের সঠিক তথ্য - অঙ্গন আমার প্রকৃতি

প্রয়োজনীয় তথ্য :
রেজিস্ট্রেশনের সময় ডকুমেন্টস আপলোডের জন্য প্রয়োজনীয় সাইজ :
  • (১) ফটো : ৫০ কেবি (JPEG বাধ্যতামূলক)
  • (২) প্যান কার্ড : ৪০০ কেবি

অ্যাপ্লিকেশনের সময় অন্যান্য ডকুমেন্টস আপলোডের জন্য প্রয়োজনীয় সাইজ :
  • (১) সমস্ত ডকুমেন্টস : ৮০০ কেবি
  • (২) ডিড / পরচা : ২ এম.বি

ফার্টিলাইজার রিনিউয়ালের ক্ষেত্রে সেল - স্টক এর রিপোর্ট ফিনান্সিয়াল বছর ভিত্তিক আপলোড করা ব্যাধ্যতামূলক। হোম পেজে গিয়ে " Fertilizer Sale Stock Report" ফরম্যাট ডাউনলোড করে তা ফিলাপ করে রিনুয়ালের সময় আপলোড করতে হবে।সর্বোচ্চ সাইজ ২ এম বি।

এখন থেকে সরকারী নির্দেশিকা অনুযায়ী অনলাইনে https://wbifms.gov.in/GRIPS এই পোর্টালের মাধ্যমে কেবলমাত্র লাইসেন্সিং সংক্ৰান্ত সমস্ত পেমেন্ট বাধ্যতামূলক। অন্যথায় ফর্মটি গৃহীত হবে না। পেমেন্ট পদ্ধতির ইউসার ম্যানুয়াল " হোম পেজে " পাওয়া যাবে।

Important Information :
Documents upload size at the time of Registration :
  • (1) Photo : 50 KB (JPEG Only)
  • (2) PAN Card : 400 KB

Documents upload size at the time of Application :
  • (1) All Documents : 800 KB
  • (2) Deed / Porcha – 2 MB

Upload Sale – Stock report Financial Year wise in case of LOA Fertilizer is mandatory . Request to download “Fertilizer Sale Stock Report” from homepage under Online Licensing. Maximum Upload size 2 MB.

Now onwards all payments related to licensing must be paid online through "https://wbifms.gov.in/GRIPS/" portal only. No other mode of payments will be acceptable. User manual for online payment has been uploaded at Home Page of online licensing system.

Thursday, September 22, 2022

স্নেক প্ল্যান্টের ৬টি অজানা উপকারিতা এবং চারা তৈরির পদ্ধতি - অঙ্গন আমার প্রকৃতি

স্নেক প্ল্যান্টের তথ্যঃ-

গবেষণায় প্রমাণিত স্নেক প্ল্যান্টের ৬টি অজানা উপকারিতা এবং স্নেক প্ল্যান্টের চারা তৈরির প্রক্রিয়া 

স্নেক প্ল্যান্ট। নাম শুনলেই একটা সাপ, সাপ অনুভূতি আসে। হ্যা, এই হাউজপ্ল্যান্টের বিশেষ সর্পিলাকৃতির জন্যেই এমন নাম। বাংলায় কেউ কখনো অনুবাদ করার প্রয়োজন মনে করেনি এই উদ্ভিদটির। সর্পিল উদ্ভিদ বলা যেতে পারে। 

স্নেক প্ল্যান্ট লিলি গোত্রের একটি বিশেষ ঘরোয়া উদ্ভিদ। ঘরোয়া মানে একেবারেই ঘরকণ্যা; রোদ, বৃষ্টি, জৈবসার, বিশেষ পরিচর্যার খুব একটা প্রয়োজন নেই বললেই চলে। আর ঘরে থেকে শুধু সৌন্দর্য্যবর্ধন করেই ক্ষান্ত থাকে না এই উদ্ভিদটি, অনেক ক্ষতিকর পদার্থ শোষণ, বায়ু পরিশোধন ও অধিক স্থায়ী হয়ে থাকে। 

এই উদ্ভিদের একটি বেশ মজার নাম আছে। অনেকে একে “মাদার-ইন-ল’স টাং” বা (Mother-in-law’s Tongue) নামেও অভিহিত করেন। মানে খাঁটি বাঙলায় “শ্বাশুড়ির জিহবা”; হয়ত বেশি পরামর্শ দেওয়া শ্বাশুড়িদের সম্মানার্থে জিহবা সদৃশ দেখতে পাতার নাম থেকে এটা দেওয়া। 

গবেষণা ও বিভিন্ন উদ্ভিদতাত্ত্বিক সংস্থার স্টাডি থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে স্নেক প্ল্যান্টের ০৬ টি বিশেষ উপকারিতা জানলে হয়ত আপনিও আপনার ঘরে এমন উপকারি বন্ধুকে জায়গা না দিয়ে পারবেন না। 

নাসার গবেষণায় বায়ু পরিশোধণকারী 

স্নেক প্ল্যান্ট আপনার ঘরের জন্যে একটি আদর্শ বায়ু পরিশোধনকারী। নাসার গবেষণায় পাওয়া তথ্যমতে, আমাদের বায়ুতে উপস্থিত বিষাক্ত গ্যাস যেমন ফরমালডিহাইড, জাইলিন, টলুইন এবং নাইট্রোজেন অক্সাইডকে বিয়োগ করতে বিশেষভাবে পারদর্শী। বিভিন্ন অটোমটিভ ইন্ডাস্ট্রি, শোরুম, প্লাইউড, কার্পেটিং, ছাপাখানা, রঙ বানানো ফ্যাক্টরি, অফিসে এসব রাসায়নিক পদার্থ বায়ুতে ছড়িয়ে থাকে এবং ব্যবহৃত হয়, সেসব স্থানে বিভিন্ন কর্ণারে স্নেক প্ল্যান্ট স্থাপন করে খুব সহজেই এসব দূর করা সম্ভব। নাসার পরামর্শ অনুযায়ী, ১৮০০ বর্গফুট মহাকাশ স্পেস স্টেশনে ১৫-১৮ টি মাঝারি থেকে বৃহত্তর সাইজের স্নেক প্ল্যান্টই সমস্ত বিষাক্ত রাসায়নিক কণাকে দূর করতে যথেষ্ট! 

রাতের অক্সিজেন ব্যাংক 

অন্যান্য অক্সিজেন নিঃসরণকারী উদ্ভিদের চেয়ে স্নেক প্ল্যান্ট রাতের বেলায় বেশি পরিমাণে কার্বণ ডাই অক্সাইডকে অক্সিজেনে রূপান্তর করতে পারে। সেজন্যে যেকোনো বদ্ধ ঘরে একজন পূর্ণ বয়স্ক ব্যক্তির জন্যে ৬-৮ টি স্নেক প্ল্যান্টই অক্সিজেনের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে যথেষ্ট। এছাড়াও স্নেক প্ল্যান্ট এয়ার কন্ডিশনার থেকে নির্গমিত ফর্মালডিহাইড দূর করে থাকে। 

বাথরুমের স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিতে 

আমাদের বাথরুমে ব্যবহৃত টয়লেট পেপার, টিশ্যু, ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিতে ব্যবহৃত কসমেটিকস তৈরিতে ফর্মালডিহাইড ব্যবহার করা হয়। এটা আমাদের নিঃশ্বাসের সাথে রক্তে মিশে জীবনবিধ্বংসী ক্যান্সার এর কারণও হতে পারে। বাথরুমে ২-৩ টি স্নেক প্ল্যান্ট রাখুন, এটি বাথরুমের স্বল্প আলো ও আর্দ্র পরিবেশের সাথে মানিয়ে ফর্মালডিহাইড শোষণ করবে। 

স্বল্প পরিচর্যাই যথেষ্ট 

উপরে উল্লেখিত স্নেক প্ল্যান্টের অন্যসব উপকারী দিকগুলোর সাথে যেটি সংযুক্ত না করলেই নয়, এটি অন্যতম একটি স্বল্প পরিচর্যায় বেড়ে ওঠা উদ্ভিদ। কড়া রোদ কিংবা ছায়াযুক্ত স্থান, পানিশূণ্য মরুভূমি; যেকোনো পরিবেশেই স্নেক প্ল্যান্ট বেড়ে উঠতে পারে। মূলত, অবহেলাতেই এটি খুব সুন্দরভাবে বেড়ে উঠতে পারে। 

এলার্জি ও অসুস্থতার বিরুদ্ধে প্রতিরোধে সাহায্য করে 

স্নেক প্ল্যান্ট বিষাক্ত পদার্থ শোষণ ও অক্সিন নির্গমণ করে। অনেক সময় স্নেক প্ল্যান্ট বাতাসে আর্দ্রতা নিঃসরণ করে এলার্জিবাহী কণাকে হ্রাস করে। যাদের এলার্জির সমস্যা অধিক, তারা ঘরে বা অফিসে ২-১ টি স্নেক প্ল্যান্টকে সবসময় রাখতে পারে। এটি প্রাকৃতিক ও স্বস্তা উপায়ে আপনাকে সুস্থ রাখবে। ঘরের অভ্যন্তরীণ দুষিত বায়ু ও পরিবেশের জন্যে সিক বিল্ডিং সিন্ড্রোম নামে একটি ক্ষতিকর প্রভাব আমাদের স্বাস্থ্যের উপর পড়তে পারে। যার ফলে নাক, কান ও গলায় জ্বালাপোড়া দেখা দেয়। এছাড়া কাশি, মাথা ঘোরা, চুলকানি, বমি বমি ভাব, মনোযোগহীনতা, অবসাদ এর উপদ্রব তৈরি হতে পারে। 

এর বেশ কিছু কারণের মধ্যে অন্যতম প্রয়োজনীয় ভেন্টিলেশনের অভাব, কার্পেট, ফটোকপি মেশিন, কীটনাশক, পরিচ্ছন্নতায় ব্যবহৃত উপাদান ইত্যাদি ব্যাকটেরিয়া, মোল্ডোস, ভাইরাস জন্মাতে সাহায্য করে। এসব ক্ষতিকর প্রভাব করায় স্নেক প্ল্যান্ট অধিক কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। 

আকর্ষণীয় বাহ্যিকতা 

বায়ু পরিশোধণ নিয়ে তো অনেক বললাম, এবার এটার গঠনপ্রকৃতি নিয়ে কিছু বলি। স্নেক প্ল্যান্ট অনন্য প্রকৃতির একটি ঘরোয়া উদ্ভিদ। কাণ্ডহীন, ঢালবিহীন, পুরু, লম্বা পর্ণরাজিকে দেখতে কৃত্রিম মনে হয়, সেই সাথে পাতার উপরে সবুজ, হলদে বা ধূসর এলোমেলো দাগগুলোকে একে আরও আকর্ষণীয় করে।

Wednesday, October 20, 2021

আলোচনা হোক ধানের লক্ষ্মীর গু রোগ নিয়ে - অঙ্গন আমার প্রকৃতি

∆ ধানের লক্ষ্মীর গু রোগ :

• রোগের লক্ষণ :
              রোগ আক্রমণের শুরুর দিকে পুষ্পমঞ্জরী এবং পরে দানা আক্রান্ত হয়। শীষের প্রতিটি দানায় ১ সেমি. ব্যাসযুক্ত কমলা, মখমলের মতো ডিম্বাকৃতি পিণ্ড দেখা যায়। ক্রমশঃ এগুলো হলুদাভ-সবুজ বা সবুজাভ-কালো বর্ণ ধারণ করে। একেকটি শীষে গুটিকয়েক জীবাণু বল তৈরি হয়। গাছের অন্যান্য অংশ আক্রান্ত হয় না। সব ক্ষেত্রেই দানার ওজন এবং অঙ্কুরোদ্গম হার কম হয়।

• রোগ বিস্তারের অনুকূল পরিবেশ :
              ভিল্লোসিক্লাভা ভাইরেন্স জীবাণু দ্বারা এ উপসর্গের সৃষ্টি হয়, যা ধানের বৃদ্ধির সকল পর্যায়ে হতে পারে, তবে ফুল আসার পরবর্তীতে ধানে দুধ আসার পর এ রোগ ছড়িয়ে পড়ে। বেশি আপেক্ষিক আর্দ্রতা (> ৯০ শতাংশ), ঘন ঘন বৃষ্টি এবং ২৫-৩৫° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় এ রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটে। মাটিতে অধিক নাইট্রোজেনের উপস্থিতিও এ রোগের প্রকোপ বাড়ায়। আগাম ধান চাষ করা জমিতে নামলা চাষ করা ক্ষেতের চেয়ে এ রোগ কিছুটা কম হয়। আক্রমণ মারাত্মক আকার ধারন করলে, ২৫% -এর বেশি ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ভারতে ৭৫ % ক্ষতির রেকর্ড আছে।

• জৈবিক নিয়ন্ত্রণ :
             ৫২° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ১০ মিনিট ধরে বীজ শোধন করলে রোগ সংক্রমণের ঝুঁকি কমে। শীষ ধরার কালে কপার সমন্বিত উপাদান (২.৫ গ্রাম/লি. জল) স্প্রে করলে ফলাফল ভাল হয়। কপার সমন্বিত উপাদান রোগ দেখার সাথে সাথে স্প্রে করলে রোগও কমে ফলনও কিছুটা বাড়ে।

• রাসায়নিক নিয়ন্ত্রণ :
            সম্ভবমত সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনার আওতায় জৈবিক নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে সর্বদা প্রতিরোধের ব্যবস্থা নিন। ছত্রাকনাশক দিয়ে বীজ শোধন করে তেমন ফলাফল আসে না। ধান গাছে ফুল আসার পূর্বে (৫০-১০০%) অ্যাজোক্সিস্ট্রবিন, প্রপিকোন্যাজোল, ক্লোরোথ্যানোনিল, অ্যাজোক্সিস্ট্রবিন + প্রপিকোন্যাজোল, ট্রাইফ্লোক্সিস্ট্রবিন + প্রপিকোন্যাজোল, ট্রাইফ্লোক্সিস্ট্রবিন + টেবুকোন্যাজোল প্রয়োগ করলে রোগ দমনের পাশাপাশি ফলনও কিছুটা বাড়ে। ভারতে এ রোগ দমনের জন্য অরিওফাঞ্জিন, কাপটান এবং ম্যানকোজেব প্রয়োগ করেও উল্লেখযোগ্য ফলাফল পাওয়া গেছে।

• প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা : 
          ১) প্রত্যয়িত উৎস থেকে সুস্থ বীজ সংগ্রহ করে ব্যবহার করুন।
          ২) রোগ প্রতিরোধী সহনশীল ধানের জাত চাষ করুন।
          ৩) যদি সম্ভব হয় রোগ থেকে মারাত্মক ক্ষতি হওয়া এড়িয়ে যেতে আগেভাগেই চাষ করুন।
          ৪) লজমি সর্বদা প্লাবিত অবস্থায় না রেখে পর্যায়ক্রমে শুকনো ও প্লাবিত অবস্থা বজায় রাখুন।
          ৫) জমিতে পরিমিত হারে নাইট্রোজেন সার ব্যবহার করুন এবং তা কয়েক ধাপে প্রয়োগ করুন।
          ৬) রোগের লক্ষণ দেখা যায় কিনা তা মাঠে তদারকি করুন।
          ৭) মাঠের আল ও সেচের নালা পরিষ্কার রাখুন।
          ৮) ধানের শীষ, বীজ, জমি আগাছা মুক্ত রাখুন এবং ধান কাটার পরে জমি থেকে সব আক্রান্ত অবশিষ্টাংশ নাড়া সরিয়ে ফেলুন।
          ৯) গভীর ভাবে চাষ করে এবং সূর্যের তাপে জমি শুকিয়ে এ রোগ পরের বছর অনেক কমানো যায়।
          ১০) যদি সম্ভব হয়, নিয়ন্ত্রিতভাবে জমি চাষ করুন এবং ক্রমাগত ধানের চাষ করুন।
          ১১) ২-৩ বছর পর পর অনাবাসী ফসল দ্বারা ফসল-চক্রের পরিকল্পনা করুন।

Saturday, October 9, 2021

ছত্রাক ও ভাইরাস নাশক ঔষধ তৈরির পদ্ধতি - অঙ্গন আমার প্রকৃতি


ছত্রাকনাশক এবং ভাইরাস নাশক দ্রবণ 

আমরা চাষ করতে গিয়ে যেকোন সবজি তে একটি বড় সমস্যার সন্মুখীন হই সেটি হল ছত্রাক এবং ভাইরাস এর জন্যে এবং জৈব উপায়ে কিভাবে তা দমন করব তা নিয়ে চিন্তিত থাকি , যে জৈব ভাবে সর কিটবিতারক তো ব্যাবহার করছি কিন্তু ফসলে ছত্রাকনাশক এবং ভাইরাস দূর করব কি করে তা আজকে আমরা জানব –

একটি হিসেব বলছি এক একর বা ৩ বিঘা জমির জন্যে আপনার আপনাদের প্রয়োজন অনুসারে আনুপাতিক হার মিলিয়ে করে নিবেন,

উপকরন

জল ২০০ লিটার
টক দই ৫ লিটার (৪-৫) দিনের পুরোনো 

প্রস্তুতি ও ব্যাবহার

উপরক্ত দুটি জিনিসকে এক সঙ্গে ভাল করে মিশয়ে নিয়ে এক একর বা ৩ বিঘা জমিতে স্প্রে করা যেতে পারে

উপকারিতা

যে কোন ফসলের ছত্রাক এবং ভাইরাস দমনের জন্যে এই মিশ্রণ ব্যাবহার করতে পারেন , এটি পেপে গাছের একটি বড় সমস্যা লিফকার্ল এবং মোজাইক ভাইরাস আক্রমণের কারণে প্রায় ৭০% জমি নষ্ট হয়ে যায় এবং রাসায়নিক ভাবে কন্ট্রোল করা সমস্যা কন্ট্রোল করা যায় না কিন্তু নিমস্তর / অগ্নি অস্ত্র প্রয়োগ এবং পরে ঐ দ্রবণ ৭ দিন পর পর প্রয়োগ করলে ৩ বার দিলেই পেপের এই রোগ দমন করা সম্ভব হয়।

আপনার প্রয়োগ করে দেখুন ভাল ফলাফল পাবেন , পোস্ট টি লাইক শেয়ার করতে ভুলবেন না , আমরা আরও মানুষের কাছে পৌছতে চাই এবং তাদের সমস্যা সমাধান করতে চাই।

বীজ শোধনের ঘরোয়া পদ্ধতি - অঙ্গন আমার প্রকৃতি


বিজামৃত যা জৈব পদ্ধতিতে বীজ শোধনের সবচেয়ে উত্তম উপকরন

আজ আপনাদের বিভিন্ন জৈব সার এবং কীটবিতারক প্রস্তুতি কিভাবে করতে হয় সে তথ্য দেবার চেষ্টা করেছি,
আজকে আমরা জনবো কি করে জৈব উপায়ে বীজ শোধন করতে হয়, বীজ শোধন করাটা খুব জরুরী বিষয় কারণ বীজ যদি জীবাণু মুক্ত না হয় তাহলে সেখান থেকে রোগ জমিতে গিয়ে বড় আকার ধরণ করে এবং অসানুরূপ ফলন হয় না চাষের ক্ষতি হয় এবং তা নিয়ন্ত্রণের জন্যে বিভিন্ন ভাবে টাকা খরচ হয়, আসুন তাহলে জেনে নেই এর পদ্ধতি।

প্রয়োজনীয় উপকরণ

১০০ কেজি বীজ শোধনের হিসেবে যা যা লাগবে তা আপনাদের আমরা জানাচ্ছি, কিন্তু আপনাদের প্রয়োজন অনুযায়ী আপনারা অনুপাত ঠিক করে নেবেন,
১. জল ২০ লিটার 
২. দেশী গোমুত্র ৫ লিটার 
৩. দেশী গোবর ৫ কেজি 
৪. চুন ৫০ গ্রাম 
৫. বট পাকুর গাছের গোড়ার মাটি ৫০ গ্রাম 

মিশ্রণ তৈরি

উপরোক্ত সব কিছুকে এক সঙ্গে মিশিয়ে নিন, নিয়ে ড্রামে ঢেলে ভাল করে গুলে নিয়ে একটি ছায়া জায়গায় ২৪ ঘণ্টা রেখে দিন এবং এই ২৪ ঘণ্টায় দুবার ১ মিনিট করে মিশ্রণটিকে একটি লাঠি দিয়ে নাড়িয়ে দিতে হবে, ২৪ ঘণ্টা পর মিশ্রণটি ব্যাবহার করার যোগ্য হয়ে যাবে।

ব্যাবহার 

বীজ লাগানোর ২৪ ঘণ্টা আগে বিজামৃত দিয়ে দিয়ে ভিজিয়ে রেখে শোধন করতে হবে

উপকারিতা

শোধনের ফলে বীজে থাকা রোগ জীবাণু নষ্ট হবে যেমন তেমনি বীজএর অঙ্কুরোদগমও ভাল হবে। সেই সঙ্গে চারা লাগানোর  পূর্বে  চারার গোড়া ৫ মিনিট ভিজিয়ে শোধন করে লাগলেও উপকার পাওয়া যায়।

Saturday, October 2, 2021

মাটির পিএইচ বলতে আমরা কি বুঝি - অঙ্গন আমার প্রকৃতি


মাটির পিএইচ (pH) বলতে কী বুঝি? চাষের ক্ষেত্রে এর গুরুত্ব কী? 
সহজভাবে বললে, পি.এইচ, হল অম্লত্ব বা ক্ষারত্বের মাপ। অম্লত্ব কী? সহজ বাংলায় বলতে গেলে, ‘টোকো’ ভাব। ক্ষারত্ব কী? চুন সোডা সাবান, জাতীয় জিনিসের যে চরিত্র থাকে, সেই চরিত্র বা ভাব। কোনো কিছুর পি.এইচ. বলতে বোঝায় সেই বস্তুর অম্লত্ব বা ক্ষারত্বের মাত্রা। এই মাপটি করা হয় ০ থেকে ১৪ সংখ্যা ব্যবহার করে। সংখ্যা ৭-এর কম হলে বস্তুর অম্লত্ব নির্দেশ করে (অর্থাৎ বস্তুটিতে ‘টোকো’ ভাব বেশি আছে), আর সংখ্যা ৭-এর বেশি হলে বস্তুর ক্ষারত্ব নির্দেশ করে। অর্থাৎ অম্লত্ব যত বাড়বে, সংখ্যা ৭এর তত কম হবে। আর ক্ষারত্ব যত বাড়বে, সংখ্যা ৭-এর তত বেশি হবে। ঠিক ৭ হলে বুঝতে হবে তা অনুও নয়, কারও নয়। বিশুদ্ধ জলের পি.এইচ. ৭। তবে প্রকৃতিতে জল একদম বিশুদ্ধ পাওয়া যায় না, তাই ভালো জলের-ও পি.এইচ.-ও ৭-এর অল্প একটু এদিক ওদিক হতে পারে।
যে কোনাে চাষের ক্ষেত্রেই, অম্লত্ব বা ক্ষারত্বের গুরুত্ব রয়েছে। মাটি বেশি অম্ল বা বেশি ক্ষার হয়ে গেলে চাষ ভালো হবে না। দেখা গেছে যে প্রায় সব উদ্ভিদের ক্ষেত্রেই মাটির পি.এইচ, ৫.৫ থেকে ৮-এর মধ্যে থাকতে হবে। তবে এক একটি উদ্ভিদের ক্ষেত্রে সংখ্যাগুলা এক এক রকম হবে। যেমন ধানের ক্ষেত্রে পি.এইচ. ৫.৫ থেকে ৬.৫-এর মধ্যে থাকলে ভাল, গমের ক্ষেত্রেও তাই। বাঁধাকপির ক্ষেত্রে ৫.৬ থেকে ৬.৬ থাকলে ভাল হয়, আর ফুলকপির ক্ষেত্রে ৬ থেকে ৭। তবে দেশীয় প্রজাতি বা হাইব্রিড প্রজাতির ক্ষেত্রে অল্প তারতম্য হতে পারে। পি.এইচ. মিটার দিয়ে মাপা যেতে পারে।
মাটির ক্ষেত্রে যা সত্যি, জলের ক্ষেত্রেও তাই। মাছ চাষের জন্যেও জলের পি.এইচ. মাপা দরকার। সাধারণভাবে মাছ চাষের জন্য জলের পি.এইচ. ৭.৫ থেকে ৮.৫-এর মধ্যে থাকলে ভাল হয়।
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পি.এইচ. কমে যাওয়ার (মানে অম্লত্ব বেড়ে যাওয়ার প্রবণতা হয়। তখন চুন দিয়ে অম্লত্ব কমানাের (অর্থাৎ পি.এইচ. বাড়ানর দরকার হয় )
এখন সব জেলাতে কৃষিবিজ্ঞান কেন্দ্র গুলোতে এবং জেলা মাটি পরিখ্যা কেন্দ্রে বিনা মূল্যে মাটি পরীক্ষা হচ্ছে আপনাদের ধান ফসল উঠে যাওয়ার পর কিছু চাষের পূর্বে কি চাষ করবেন তা নির্ধারণ করে মাটি পরীক্ষা করিয়ে আনবেন।

Friday, September 17, 2021

কমলার চাষ করুন সহজেই - অঙ্গন আমার প্রকৃতি

কমলার চাষ

যথেষ্ট বৃষ্টিপাত হয় এমন আর্দ্র ও উঁচু পাহাড়ি অঞ্চলে কমলার চাষ ভালো হয়। উঁচু, উর্বর, গভীর সুনিষ্কাশিত এবং মৃদু অম্লভাবাপন্ন বেলে দোআঁশ মাটিতে ভালো হয়। প্রখর সূর্যকিরণ ও উচ্চ তাপমাত্রায় গাছের বৃদ্ধি ব্যাহত হয়। বছরে দেড়শ থেকে আড়াইশ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত, ২৫ থেকে ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস গড় তাপমাত্রা এবং আংশিক ছায়াযুক্ত স্থান এর জন্য উপযোগী। মাটির অম্ল-ক্ষারত্বের মান ৫.৫ থেকে ৬.০।

জাত
খাসিয়া ও বারি-১

বংশবিস্তার
বীজ থেকে জাইগোটিক চারা দুর্বল, মাতৃগাছের গুণাগুণ বজায় থাকে না, ফল ধরতে ৪-৫ বছর লাগে। বহু ভ্রণিতা (বীজ) নিউসেলার কোষ থেকে এক বা একাধিক চারা হয়। চারাগুলো সবল ও মাতৃগাছের গুণাগুণ বজায় থাকে। ভাইরাস মুক্ত হয়। ফল ধরতে ৪-৫ বছর লাগে।

অঙ্গজ
ভিনিয়ার/ক্লেফট গ্রাফটিং এবং টি-বাডিং চারা থেকে ২-৩ বছরের মধ্যেই ফল আসে।

চারা রোপণের সময়
বর্ষার শুরুতে অর্থাৎ মে-জুন মাসে চারা রোপণ করতে হয়। তবে সেচের সুবিধা থাকলে যে কোনো সময় চারা রোপণ করা যায়।

মাদা তৈরি ও রোপণ
সমতল জমিতে বর্গাকার, আয়তকার এবং পাহাড়ি জমিতে কন্টুর পদ্ধতিতে মাদা তৈরি করে চারা রোপণ করতে হবে। ৪ মিটার × ৪ মিটার দূরত্বে রোপণ করা যায়। মাদার গর্তের আকার ৬০×৬০×৬০ সেন্টিমিটার। প্রতি মাদায় ১০ কেজি গোবর, ২০০ গ্রাম করে ইউরিয়া, টিএসপি ও এমওপি এবং ৫০০ গ্রাম চুন দিতে হবে। চারা রোপণের ১৫ থেকে ২০ দিন আগে সার প্রয়োগ করতে হবে।

সেচ
খরা মৌসুমে বয়স্ক গাছে ২ থেকে ৩টি সেচ দিতে হবে। ফল পরিপক্ব হওয়ার সময় সেচ দিলে আকারে বড় ও রসযুক্ত হয়। গাছের গোড়ায় জল জমলে মাটিবাহিত রোগ হতে পারে।

 পরিচর্যা
আগাছা গাছের বেশ ক্ষতি করে। এছাড়া গাছের শিকড়গুলো মাটির উপরিস্তরে থাকে সেজন্য গভীরভাবে নিড়ানি না দেয়া ভালো। গাছ লাগানোর পর ফল ধরার আগ পর্যন্ত ধীরে ধীরে ডাল ছেঁটে গাছকে নির্দিষ্ট আকারে রাখতে হবে। ডাল ছাঁটাইয়ের পর কাটা অংশে বর্দোপেস্ট দিতে হবে। দুটি পাত্রে ৭০ গ্রাম তুঁতে ও ১৪০ গ্রাম চুন আলাদাভাবে মিশ্রণ করে এক লিটার জলের সঙ্গে মিশিয়ে বুর্দোপেস্ট তৈরি করতে হবে।

ফল সংগ্রহ ও ফলন
কমলা পরিপক্ব হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রঙ বদলাতে শুরু করে। ভালোভাবে পাকার পর ফল সংগ্রহ করলে মিষ্টি হয়। পূর্ণ বয়স্ক কমলাগাছ প্রতি বছর গড়ে ৩০০ থেকে ৪০০ টি ফল দেয়। বেশি বয়স্ক গাছ এক হাজার থেকে দেড় হাজার ফল দিতে পারে। একটি গাছ সাধারণত ৫০ থেকে ৭০ বছর পর্যন্ত ফল দিয়ে থাকে।

নানা ধরনের ক্রোটন চাষ, কীভাবে পরিচর্যা করবেন - অঙ্গন আমার প্রকৃতি

নানা ধরনের ক্রোটন (Croton) – পরিচিতি, লাগানোর পদ্ধতি ও ব্যবহার ক্রোটন (Codiaeum variegatum) একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় শোভাবর্ধক পাতা...